ecosystem

Views:
 
Category: Education
     
 

Presentation Description

No description available.

Comments

Presentation Transcript

ecosystem:

ecosystem By Anika Habib 18 batch Biological Science IER. University of Dhak a To Mrs. Sheikh Tahmina Awal Lecturer IER, DU

Ecosystem কি ?:

Ecosystem কি ? যে রীতিতে একটি আবাসস্থলে বসবাসকারী জীব সম্প্রদায় ও সেখানকার অজীবজ উপাদানের পারস্পারিক আন্তঃক্রিয়ার ফলে উপাদানের বিনিময় ঘটে, সেই ব্যবস্থাকেই ইকোসিস্টেম বলে। ১৯৩৫ সালে A.G. Tansely সর্বপ্রথম Ecosystem কথাটি ব্যবহার করেন।

বাস্তুতন্ত্রের প্রকারভেদ:

বাস্তুতন্ত্রের প্রকারভেদ

বাস্তুতন্ত্র বা ecosystem কে দুটি গুচ্ছতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-:

বাস্তুতন্ত্র বা ecosystem কে দুটি গুচ্ছতে ভাগ করা হয়েছে। যথা- ১। প্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম ( Natural Ecosystem) - যে ecosystem মানুষের প্রভাব ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে চালিত হয় তাকে প্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম বলে। যেমন- স্থলজ ইকোসিস্টেম, মিঠাপানির ইকোসিস্টেম, মরুভূমির ইকোসিস্টেম ইত্যাদি।

Slide 5:

২। কৃত্রিম ইকোসিস্টেম ( Artificial Eosystem ) - যে ecosystem মানুষ দ্বারা চালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে কৃত্রিম ইকোসিস্টেম বলে। যেমন- শস্যক্ষেত্র। মানুষ নিজের প্রয়োজনে বিভিন্ন ক্ষেত্রের শস্যের জীব সংখ্যার নিয়ন্ত্রণ ও মাটির ভৌত রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ইকোসিস্টেমের পরিবর্তন ঘটায়।

ইকোসিস্টেমের উপাদান:

ই কো সি স্টে মে র উ পা দা ন

১/ স্বভোজী উপাদান (Autotrophic Components):

১/ স্বভোজী উপাদান ( Autotrophic Components) কার্য ও পুষ্টির ভিত্তিতে ইকোসিস্টেমের উপাদান ২টি । ( Autotrophic Components ) এক্ষেত্রে সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে H 2 O ও CO 2 গ্রহণ করে সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সাহা্য্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে। CO 2 + H 2 O C 6 H 12 O 6 + O 2 +H 2 O ক্লোরোফিল সূর্যালোক

২। পরভোজী উপাদান (HETEROTROPHIC COMPONENTS):

২। পরভোজী উপাদান (HETEROTROPHIC COMPONENTS) যে সকল অসবুজ উদ্ভিদ ও প্রানীকুল ক্লোরোফিল না থাকার দরুন নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না বিধায় নিজ দেহের পুষ্টিসাধনের জন্য এদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্বভোজী উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। এরাই মূলত পরভোজী উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।

Slide 9:

গঠনগত ভিত্তিতে ইকোসিস্টেমের উপাদানগুলোকে ৪টা গুরুত্বপূর্ণ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথাঃ ১/ অজীবজ উপাদান ( Abiotic Components) - বাস্তুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত অনেকগুলি অজীবজ উপাদান রয়েছে। এসব উপাদানের মধ্যে CO 2 , O 2 , N 2 , Ca, P, S, NH 3 অন্যতম। উল্লেখিত উপাদানগুলো পরিবেশে বিভিন্ন পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এর উপর উদ্ভিদের বিকাশ ও বিস্তৃতি নির্ভর করে।

Slide 10:

২/ উৎপাদক (Producers) - স্বভোজী সবুজ উদ্ভিদকে বাস্তুতন্ত্রের মূল উৎপাদক হিসেবে গণ্য করা হয়। কারণ, এরাই সূর্যালোকের উপস্থিতিতে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরিতে সক্ষম। স্থল ভাগে বিভিন্ন আকৃতির সবুজ গাছ ও জলভাগে আণুবীক্ষণিক ফাইটোপ্লাংকটন মৌলিক উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত।

Slide 11:

৩/ খাদক (Consumer) - বাস্তুতন্ত্রের উৎপাদক কর্তৃক তৈরি খাদ্যের উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীকে খাদক বলা হয়। এদের দেহকোষে ক্লোরোফিল না থাকার কারণে এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে না।তাই পুষ্টির জন্য এদের উৎপাদকের উপর নির্ভর করতে হয়। সবুজ উদ্ভিদ ও সংশ্লেষকারী ব্যাকটেরিয়া ছাড়া অধিকাংশ জীবই এর অন্তর্ভুক্ত। এদের ২ ভাগে ভাগ করা যায়- ১। শাকাশী ২। মাংসাশী

Slide 12:

খাদক স্তর (Order of Consumers ) সাধারণত খাদকের খাদ্য অভ্যাসের উপর ভিত্তি করে তাদের কতগুলো স্তর বা পর্যায়ে ভাগ করা হয়। যেমন- যে সমস্ত খাদক খাদ্যের জন্য উৎপাদকের উপর নির্ভর করে তারা প্রাথমিক খাদক হিসেবে পরিচিত। সাধারণত শাকাশী খাদকরাই এদের অন্তর্ভুক্ত। - প্রাথমিক খাদকের উপর নির্ভর করে যে সকল জীব জীবন ধারণ করে তাদেরকে বলা হয় গৌণ বা সেকেন্ডারী খাদক। গৌণ খাদকের উপর নির্ভর করে যেসব জীব বেঁচে থাকে তাদের বলা হয় তৃতীয় পর্যায়ের বা টারশিয়ারী খাদক। তৃতীয় পর্যায়ের খাদকদের যারা খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে তারা চতুর্থ পর্যায়ের বা কোয়াটেরনারী খাদক হিসেবে পরিচিত।

Slide 13:

৪/ বিয়োজক ( Decomposer) - উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহের জৈবপদার্থকে কতক ব্যাকটেরিয়া ও মোল্ড ধাপে ধাপে ভেঙ্গে সরল পদার্থে রুপান্তর করে। এরা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের জৈব পদার্থ খেয়ে বাঁচে। এদেরই বিয়োজক বলে। এর জন্য মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণী দেহের জৈব ও অজৈব পদার্থসমূহ পুনরায় ইকোসিস্টেমের জড় উপাদানে পরিণত হয় ও সবুজ উদ্ভিদ এদেরকে পুনরায় গ্রহণ করে।

খাদ্য শৃঙ্খল (food chain):

খাদ্য শৃঙ্খল ( food chain)

Slide 15:

ইকোসিস্টেমে উৎপাদক থেকে শুরু করে খাদকের শেষ পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন খাদকের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ও সুবিন্যস্ত অন্তঃসম্পর্ক রয়েছে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদক কর্তৃক আহরিত খাদ্যশক্তি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন খাদকগোষ্ঠীর মধ্যে প্রবাহিত হয়, শক্তিপ্রবাহের পর্যায়ক্রমিক সে ধারাকে খাদ্যশৃঙ্খল বলে। খাদ্যশৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরকে ট্রফিক লেভেল ( Trophic Level) বলে। Trophic levels In food chain

Slide 16:

খাদ্যশৃঙ্খলের অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের প্রকৃতি অনুযায়ী খাদ্যশৃঙ্খলকে ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে- ১। শিকারী শৃঙ্খল – এক্ষেত্রে শৃঙ্খলের অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা হচ্ছে খাদক। ২। পরজীবীয় শৃঙ্খল - এক্ষেত্রে শৃঙ্খলের অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা হচ্ছে পরজীবী উদ্ভিদ ও প্রাণী। ৩। মৃতজীবী শৃঙ্খল - এক্ষেত্রে শৃঙ্খলের অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা হচ্ছে মৃতজীবী উদ্ভিদ ও প্রাণী।

খাদ্যজাল (Food web) :

খাদ্যজাল (Food web)

Slide 18:

প্রকৃতিতে বিচ্ছিন্নভাবে কোন খাদ্যশৃঙ্খল কার্যকারী অবস্থায় থাকে না, বরং একটির সঙ্গে আরেকটি জালের ন্যায় আন্তঃসম্পর্কিত। বাস্তুতন্ত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন খাদ্যশৃঙ্খলের পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হয়ে জালের ন্যায় সংবদ্ধ হওয়ার প্যাটার্নকে খাদ্যজাল বা খাদ্যচক্র বলে। সাধারণত এই শৃঙ্খলগুলো বিভিন্ন জীবের মাধ্যমে আন্তঃসংযুক্ত হয়ে Interlocking প্যাটার্ন গঠন করে। তৃণভূমির খাদ্যজালে ৫টি খাদ্যশৃঙ্খল পরিলক্ষিত হয়। যথা- ১। ঘাস ঘাসফড়িং ঈগল ২। ঘাস ঘাসফড়িং টিকটিকি ঈগল ৩। ঘাস খরগোশ ঈগল ৪। ঘাস ইঁদুর ঈগল ৫। ঘাস ইঁদুর সাপ ঈগল

একটি পুকুরের বাস্তুসংস্থান (ecosystem of a pond) :

একটি পুকুরের বাস্তুসংস্থান ( ecosystem of a pond)

Slide 21:

মিঠাপানির বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে পুকুরের বাস্তুসংস্থান উল্লেখযোগ্য। একটি পুকুর হচ্ছে একটি স্বনির্ভর ও স্বনিয়ন্ত্রিত তন্ত্র। একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রের মৌলিক উপাদানের ভেতর ২ধরনের উপাদান থাকে। যথা- ১. অজীবজ উপাদান ( Aboitic Components) এর ভেতর পানি,তাপ, আলোর সাথে জৈব ও অজৈব উপাদানও রয়েছে। অজৈব পদার্থের মধ্যে কার্বন-ডাই-অক্সাইড,অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস প্রভৃতি এবং জৈব উপাদানের মধ্যে অ্যামাইনো এসিড, হিউমিক এসিড প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

জীবজ উপাদান (Biotic Components):

জীবজ উপাদান (Biotic Components) - এর অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রকার উপাদানের বর্ণনা নিম্নে দেয়া হলঃ- ক) উৎপাদক – এখানে বিদ্যমান সবুজ উদ্ভিদ ও সংশ্লেষণকারী ব্যাকটেরিয়াকে উৎপাদক বলে। এরা সূর্যালোককে কাজে লাগিয়ে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে খাদ্যকণায় সঞ্চিত থাকে। এদের মধ্যে Trapa , Typha , Nymphaea , Azolla , pistia - প্রভৃতি সবুজ উদ্ভিদ ও শৈবালের ভেতর Chara , Volvox , Spirogyra, Cladophora প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

খ) খাদক – এদের ক্লোরোফিল না থাকায় নিজেরা খাদ্য তৈরি করতে পারে না, উৎপাদকের উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। অধিকাংশ খাদক শাকাশী। :

খ) খাদক – এদের ক্লোরোফিল না থাকায় নিজেরা খাদ্য তৈরি করতে পারে না, উৎপাদকের উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। অধিকাংশ খাদক শাকাশী। প্রাইমারী খাদক খেয়ে যারা বাঁচে তারা সেকেন্ডারি খাদক ( যেমন-ব্যাঙ, মাঝারি আকৃতির মাছ) বলে। সেকেন্ডারি খাদকদের উপর নির্ভর করে যারা বাঁচে তারা টারশিয়ারী খাদক (যেমন- হাঁস, সারস) হিসেবে পরিচিত। এদের যারা খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে তারা সর্বচ্চো খাদক(যেমন- রাক্ষুসে মাছ, মানুষ, শিকারী পাখি) হিসেবে পরিচিত। যারা সরাসরি উৎপাদককে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদের প্রাইমারী খাদক (যেমন- বেনথোস , জুপ্ল্যাঙ্কটন) বলে।

Slide 24:

গ) বিয়োজক ব্যাকটেরিয়া ও কতিপয় ছত্রাক বিয়োজক হিসেবে কাজ করে। এরা উৎপাদক ও খাদক উভয়ের দেহাবশেষের জটিল জৈব পদার্থ ক্রমান্বয়ে পচিয়ে সরল পদার্থে পরিণত করে। এভাবে খনিজ পদার্থকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরায় পুকুরে ফিরিয়ে দিতে এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেসব ছত্রাক বিয়োজন ঘটিয়ে থাকে তাদের ভেতর Aspergillus , Rhizopus , Penicillium , Cladosporium উল্লেখযোগ্য।

Slide 25:

P O N D E C O S Y S T E M

পুষ্টি স্তর (TROPHIC LEVEL):

পুষ্টি স্তর ( TROPHIC LEVEL )

Slide 27:

বাস্তুতন্ত্রে জীবগোষ্ঠী পারস্পারিক নির্ভরশীলতার ভিত্তিতে সংযুক্ত হয়ে খাদ্যশৃঙ্খল গঠন করে। উৎপাদক ও খাদক সুবিন্যস্ত হয়ে যে কাঠামো সৃষ্টি করে তাকে পুষ্টি অবয়ব ( Trophic Structure) ও এর প্রতিটি খাদ্যস্তরকে পুষ্টিস্তর ( Trophic Level) বলে। বাস্তুতন্ত্রে প্রায় ৫ টি পুষ্টিস্তর পাওয়া যায়। পুষ্টিস্তর-১ ( T 1 ) এই স্তরে সবুজ উদ্ভিদের অবস্থান এবং এদের উৎপাদক বলে।এরা সৌর শক্তি ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় তারা CO 2 গ্রহণ করে ও O 2 ত্যাগ করে এবং এভাবে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। পুষ্টিস্তর-২ ( T 2 ) এ স্তরে নানা প্রকার জীব ও জীবাণু অবস্থান করে। শাকাশী প্রাণী থেকে হাতিও এর অন্তর্ভুক্ত। এরা খাদ্যের জন্য পুষ্টিস্তর-১ এর উপর নির্ভর করে।

:

পুষ্টিস্তর-৩ ( T 3 ) এ স্তরে মাংসাশী প্রানীর অবস্থান। যেমন- বাঘ, সিংহ, হায়েনা। এরা খাদ্যের জন্য পুষ্টিস্তর-২ এর উপর নির্ভর করে। পুষ্টিস্তর-৪ ( T 4 ) এ স্তরেও মাংসাশী প্রানীর অবস্থান। এরা পুষ্টি স্তর-২ এর শাকাশী ও পুষ্টি স্তর-৩ মাংসাশী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। কতিপয় পাখি, সরীসৃপ ও মানুষ এর অন্তর্ভুক্ত। পুষ্টিস্তর-৫ ( T 5 ) ব্যাকটেরিয়া, কতিপয় ছত্রাক এ স্তরের অন্তর্ভুক্ত। এদের বিয়োজক বলে। এরা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর জটিল জৈব পদার্থকে সরল পদার্থে পরিণত করে বিভিন্ন উপাদান পরিবেশে ফিরিয়ে আনে।

ইকোলজিক্যাল পিরামিড (ecological pyramid):

ইকোলজিক্যাল পিরামিড ( ecological pyramid)

Slide 30:

প্রতিটি বাস্তুতন্ত্রের আলাদা বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। পুষ্টিস্তরগুলো বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশৃংখলের সঙ্গে যুক্ত ক্রমপর্যায়ে সজ্জিত। চিত্রের সাহায্যে দেখলে এদের পিরামিডের ন্যায় দেখায়। তাই এসব চিত্রকে ইকোলজিক্যাল পিরামিড বলে। ইকোলজিক্যাল পিরামিড ৩ ধরনের। যথা- ১। সংখ্যার পিরামিড ( Pyramid of Numbers) ২। জীবভরের পিরামিড (Pyramid of Biomass) ৩। শক্তির পিরামিড (Pyramid of Energy)

সংখ্যার পিরামিড (Pyramid of Numbers):

সংখ্যার পিরামিড ( Pyramid of Numbers) বাস্তুতন্ত্রে খাদ্যশৃংখলের আনুক্রমিক পুষ্টিস্তরে জীবের সংখ্যাভিত্তিক সম্পর্ক যে চিত্রের সাহায্যে দেখানো হয় তাকে সংখ্যার পিরামিড বলে। এই পিরামিডের ভূমিতে থাকে উৎপাদক(সবুজ উদ্ভিদ), সংখ্যার পিরামিডের ভূমি হতে শীর্ষ পর্যন্ত আনুক্রমিকভাবে পুষ্টিস্তরের জীবসংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। ফলে খাড়া ত্রিকোণাকৃতির পিরামিড গঠিত হয়। সংখ্যার পিরামিডের শীর্ষ পুষ্টিস্তরে জীবসংখ্যা হ্রাস পেয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে কিন্তু এরা আকারে বড় হয়।

জীবভরের পিরামিড (Pyramid of Biomass):

জীবভরের পিরামিড (Pyramid of Biomass) বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশৃঙ্খলের পুষ্টিস্তরে জীবভরের সম্পর্ক পর্যায়ক্রমিকভাবে যে চিত্রের সাহায্যে দেখানো হয় তাকে জীবভরের পিরামিড বলে। এই পিরামিডের ভূমিতেও যথাক্রমে তৃণ ও বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ উৎপাদক হিসেবে অবস্থান করে। ভূমিতে অবস্থিত এসব উৎপাদকের ভরের পরিমাণ প্রাথমিক খাদক স্তরের ভরের পরিমাণের চেয়ে অনেকগুণ বেশি হয়ে থাকে। সুতরাং উপরের দিকে আগের স্তরের চেয়ে ভরের পরিমাণ কমতে কমতে শীর্ষে ভরের পরিমাণ সবচেয়ে কম হয়। এই পিরামিডের সাহায্যে ইকোসিস্টেমে বিদ্যমান জীবজ উপাদানের সামগ্রিক পরিমাপ করা সম্ভব হয়।

শক্তির পিরামিড (Pyramid of Energy):

শক্তির পিরামিড (Pyramid of Energy) বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশৃঙ্খলের পুষ্টিস্তরে বিদ্যমান শক্তির পরিমাণ পর্যায়ক্রমিকভাবে যে চিত্রের সাহায্যে দেখানো হয় তাকে শক্তির পিরামিড বলে। বাস্তুতান্ত্রিক ৩টি পিরামিডের মধ্যে বাস্তুতন্ত্রের প্রকৃতি সম্পর্কে গঠিত শক্তির পিরামিডই সর্বোৎকৃষ্ট। এই পিরামিডেও ভূমিতে অবস্থিত উৎপাদকের সংগৃহীত মোট শক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয়। পরবর্তী পুষ্টিস্তরে এই পরিমাণ কমতে থাকে। এভাবে একদম শীর্ষে শক্তির পরিমাণ সর্বাপেক্ষা কম হয়।

ইকোলজিক্যাল নিচি (ecological niche):

ইকোলজিক্যাল নিচি (ecological niche)

Slide 35:

চার্লস এলটন ও যোসেফ গ্রিনেল ১৯১৭ সালে প্রথম নিচি কথাটি ব্যবহার করেন। আগে ইকোলজিক্যাল নিচি বলতে জীবের আবাসস্থানকে বুঝানো হত। কিন্তু বর্তমানে এর অর্থ বলতে সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি জীবের অবস্থান এবং তার গঠনগত অভিযোজন ও অন্যান্য আচরণের কারণে বাস্তুতন্ত্রের প্রকৃতি বুঝায়। বস্তুত আবাসস্থল (Habitat) জীবের ঠিকানা ( Adress ) এবং নিচি (Niche) হচ্ছে তার পেশা (Profession) সুতরাং ইকোলজিক্যাল নিচির আওতাভুক্ত শুধু স্থান নয়, বরং এর আওতাভুক্ত রয়েছে সম্প্রদায়ে জীবের কার্যকরী ভূমিকা।

Thank You All:

T h a n k Y o u A l l

authorStream Live Help